বাংলাদেশে এক্সনেস ক্রিপ্টো ট্রেডিং – সম্পূর্ণ গাইড
বাংলাদেশে এক্সনেস দিয়ে ক্রিপ্টো ট্রেডিং শুরু করুন। বিটকয়েন, ইথেরিয়াম সহ ৫০+ ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেড করুন।
এক্সনেস ক্রিপ্টো ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মের পরিচয়
আমাদের কোম্পানি এক্সনেস বাংলাদেশি ট্রেডারদের জন্য উন্নত প্রযুক্তির ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে। এখানে ৫০টিরও বেশি ডিজিটাল সম্পদে ট্রেড করার সুবিধা রয়েছে। বিটকয়েন, ইথেরিয়াম, লাইটকয়েন সহ বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সি আমাদের প্ল্যাটফর্মে ২৪/৭ ট্রেড করা যায়। অর্ডার এক্সিকিউশন ০.১ সেকেন্ডের মধ্যে সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশি টাকা (BDT) এবং ইউএস ডলার (USD) উভয় মুদ্রায় ফান্ড ডিপোজিট করা যায়।
মেটাট্রেডার ৪, মেটাট্রেডার ৫ এবং এক্সনেস ট্রেডার মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ট্রেডিং করা যায়। স্থানীয় পেমেন্ট মাধ্যম হিসেবে বিকাশ, নগদ এবং রকেট সমর্থিত। আমরা বাংলা ভাষায় কাস্টমার সাপোর্ট প্রদান করি।
| ক্রিপ্টোকারেন্সি | স্প্রেড | লিভারেজ | ট্রেডিং সময় |
|---|---|---|---|
| বিটকয়েন (BTC) | ০.৫ পিপস | ১:২০ | ২৪/৭ |
| ইথেরিয়াম (ETH) | ০.৮ পিপস | ১:২০ | ২৪/৭ |
| লাইটকয়েন (LTC) | ১.২ পিপস | ১:২০ | ২৪/৭ |
ক্রিপ্টো ট্রেডিং এর মূল বৈশিষ্ট্য
আমাদের প্ল্যাটফর্ম রিয়েল-টাইম প্রাইস ফিড এবং উন্নত চার্টিং টুলস সরবরাহ করে। টেকনিক্যাল ইন্ডিকেটর, ড্রয়িং টুলস এবং অটোমেটেড ট্রেডিং সিস্টেম ব্যবহার করা যায়। স্টপ লস এবং টেক প্রফিট অর্ডার সেট করা সম্ভব। মার্কেট, পেন্ডিং এবং লিমিট অর্ডার সাপোর্ট করা হয়। নেগেটিভ ব্যালেন্স প্রোটেকশন সক্রিয় রয়েছে।
বাংলাদেশে ক্রিপ্টো ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া
এক্সনেসে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান। রেজিস্ট্রেশন বাটনে ক্লিক করে ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইনআপ করুন। বাংলাদেশ দেশ নির্বাচন করে ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ করুন। ইমেইল ভেরিফিকেশনের পরে পার্সোনাল এরিয়ায় লগইন করুন। KYC ভেরিফিকেশনের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট আপলোড করুন।
ভেরিফিকেশন শেষে স্ট্যান্ডার্ড, প্রো বা রো অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। বেস কারেন্সি USD বা EUR নির্বাচন করা যাবে। লিভারেজ ১:১ থেকে ১:২০০০ পর্যন্ত নির্ধারণ করা যায়। ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে MT4, MT5 বা এক্সনেস ট্রেডার অ্যাপ বেছে নেওয়া হয়।
ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া
পরিচয় যাচাইয়ে বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যবহার করা হয়। ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য ইউটিলিটি বিল, ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা সরকারি চিঠি আপলোড করুন। ডকুমেন্টের ছবিগুলো স্পষ্ট ও সম্পূর্ণ হওয়া আবশ্যক। ভেরিফিকেশন সাধারণত ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়। অনুমোদনের পর পূর্ণ ট্রেডিং এক্সেস পাবেন।
ক্রিপ্টো ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম ইন্সটলেশন এবং সেটআপ
এক্সনেস ওয়েবসাইটের ডাউনলোড সেকশন থেকে উইন্ডোজ, ম্যাক, অ্যান্ড্রয়েড বা iOS ভার্শন ডাউনলোড করুন। ডাউনলোড শেষে ইনস্টলেশন ফাইল রান করুন এবং ডিফল্ট সেটিংস ব্যবহার করুন। ইনস্টল হয়ে গেলে ট্রেডিং অ্যাকাউন্টের লগইন আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করতে গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে এক্সনেস ট্রেডার ইনস্টল করুন। লগইন তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করুন। সঠিক সার্ভার নাম নির্বাচন করুন। সফল লগইনের পর অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স ও লাইভ প্রাইস দেখতে পাবেন। ডেমো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রথমে প্র্যাকটিস করুন।
ট্রেডিং ইন্টারফেস কনফিগারেশন
প্ল্যাটফর্ম চালু হলে চার্ট সেটিংস কাস্টমাইজ করুন। টাইমফ্রেম যেমন M1, M5, H1, H4, D1 থেকে নির্বাচন করুন। Insert মেনু থেকে ইন্ডিকেটর যোগ করুন। Tools মেনুতে গিয়ে প্রাইস অ্যালার্ট সেট করুন। পছন্দের ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়াচলিস্টে যুক্ত করুন।
বাংলাদেশে ফান্ড ডিপোজিট এবং উইথড্র পদ্ধতি
বাংলাদেশি ট্রেডারদের জন্য বিকাশ, নগদ, রকেট মোবাইল ব্যাংকিং সিস্টেম সমর্থিত। স্থানীয় ব্যাংক ট্রান্সফার এবং ইন্টারন্যাশনাল ওয়্যার ট্রান্সফার সুবিধা পাওয়া যায়। স্ক্রিল, নেটেলার এবং পারফেক্ট মানি ই-ওয়ালেট ব্যবহার করা যায়। ভিসা ও মাস্টারকার্ড ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডও গ্রহণযোগ্য।
ডিপোজিট করতে পার্সোনাল এরিয়ার ফাইন্যান্স সেকশনে যান। পেমেন্ট মেথড নির্বাচন করে পরিমাণ লিখুন। ন্যূনতম ডিপোজিট ১০ ডলার এবং সর্বোচ্চ ২০,০০০ ডলার। বিকাশ/নগদ দিয়ে ফান্ড তাৎক্ষণিক জমা হয়। ব্যাংক ট্রান্সফার ১-৩ কার্যদিবস সময় নেয়।
| পেমেন্ট মেথড | ডিপোজিট সময় | উইথড্র সময় | ফি |
|---|---|---|---|
| বিকাশ/নগদ | তাৎক্ষণিক | ২৪ ঘন্টা | ০% |
| ব্যাংক ট্রান্সফার | ১-৩ দিন | ২-৫ দিন | ০% |
| স্ক্রিল/নেটেলার | তাৎক্ষণিক | ২৪ ঘন্টা | ০% |
মোবাইল ব্যাংকিং ইন্টিগ্রেশন
বিকাশ দিয়ে ডিপোজিট করতে পার্সোনাল এরিয়ায় বিকাশ অপশন নির্বাচন করুন। পরিমাণ লিখে নেক্সট ক্লিক করুন। বিকাশ অ্যাপে পেমেন্ট নিশ্চিত করুন। ট্রানজেকশন আইডি সংরক্ষণ করুন। ৫-১০ মিনিটে ফান্ড অ্যাকাউন্টে দেখা যাবে।
ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেডিং কৌশল এবং টুলস
আমাদের প্ল্যাটফর্মে উন্নত বিশ্লেষণ টুলস যেমন RSI, MACD, Bollinger Bands ব্যবহার করা যায়। ক্যান্ডেলস্টিক ও চার্ট প্যাটার্ন বিশ্লেষণের সুবিধা রয়েছে। সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল মার্ক করার টুলস পাওয়া যায়। ফিবোনাচি রিট্রেসমেন্ট এবং এক্সটেনশন টুলসও উপলব্ধ।
স্ক্যাল্পিং, ডে ট্রেডিং ও সুইং ট্রেডিং কৌশল প্রয়োগ করা যায়। ক্রিপ্টো নিউজ ও মার্কেট সেন্টিমেন্ট বিশ্লেষণের জন্য ইকোনমিক ক্যালেন্ডার ব্যবহৃত হয়। ভোলাটিলিটি এবং ফিয়ার অ্যান্ড গ্রিড ইনডেক্স ট্র্যাক করা সম্ভব। পোর্টফোলিও ডাইভার্সিফিকেশনের জন্য একাধিক ক্রিপ্টো ট্রেড করুন। রিস্ক ম্যানেজমেন্টে পজিশন সাইজিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন।
অটোমেটেড ট্রেডিং সিস্টেম
আমাদের প্ল্যাটফর্মে এক্সপার্ট অ্যাডভাইজার (EA) ব্যবহার করে অটোমেটেড ট্রেডিং সেটআপ করা যায়। MQL4 ও MQL5 প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট করা হয়। কাস্টম ইন্ডিকেটর ও ট্রেডিং রোবট ডেভেলপ করা সম্ভব। ব্যাকটেস্টিং ফিচার দিয়ে কৌশল পরীক্ষা করুন। ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার (VPS) সুবিধাও পাওয়া যায়।
| টুলস/কৌশল | বর্ণনা |
|---|---|
| RSI, MACD | টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের জন্য প্রধান ইন্ডিকেটর |
| ফিবোনাচি টুলস | সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স নির্ধারণে ব্যবহৃত |
| এক্সপার্ট অ্যাডভাইজার (EA) | অটোমেটেড ট্রেডিং সেটআপের জন্য |
রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা
আমাদের প্ল্যাটফর্মে স্টপ লস ও টেক প্রফিট অর্ডার ব্যবহার করে ক্ষতি ও মুনাফা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ট্রেইলিং স্টপ দিয়ে প্রফিট সর্বাধিক করা সম্ভব। মার্জিন কল ও স্টপ আউট লেভেল মনিটর করে ট্রেডারদের সতর্ক করা হয়। নেগেটিভ ব্যালেন্স প্রোটেকশন সক্রিয় রয়েছে।
SSL এনক্রিপশন ও টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহার করা হয়। ক্লায়েন্ট ফান্ড আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রাখা হয়। ডেটা প্রাইভেসি নীতিমালা কঠোরভাবে মেনে চলা হয়। নিয়মিত সিস্টেম আপডেট ও সিকিউরিটি অডিট করা হয়।
নিরাপদ লগইন এবং অ্যাকাউন্ট সুরক্ষা
অ্যাকাউন্ট সুরক্ষার জন্য টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) চালু করা আবশ্যক। পাসওয়ার্ড নিয়মিত পরিবর্তন করুন। অজানা ডিভাইস থেকে লগইন এড়িয়ে চলুন। কাস্টমার সাপোর্টে সন্দেহজনক কার্যকলাপ জানান।
ক্রিপ্টো ট্রেডিং এর জন্য প্রযুক্তিগত প্রয়োজনীয়তা
এক্সনেস ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম উইন্ডোজ ৭ বা তার পরের সংস্করণ, ম্যাক OS ১০.১০+ ও মোবাইলের জন্য অ্যান্ড্রয়েড ৫.০+ এবং iOS ১১+ সমর্থন করে। ইন্টারনেট স্পিড কমপক্ষে ১ Mbps হওয়া উচিত। প্ল্যাটফর্ম মেটাট্রেডার ৪, ৫ এবং এক্সনেস ট্রেডার অ্যাপের মাধ্যমে কাজ করে।
ফাইরওয়াল বা প্রোক্সি ব্যবহার করলে প্ল্যাটফর্মের সংযোগে সমস্যা হতে পারে। নিরাপদ ও স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করুন। মেমোরি ও প্রসেসর যথেষ্ট থাকা আবশ্যক যাতে ট্রেডিং সফটওয়্যার নির্বিঘ্নে চলে।
বাংলাদেশে এক্সনেস ক্রিপ্টো ট্রেডিং এর ভবিষ্যত এবং সুযোগ
বাংলাদেশে ক্রিপ্টোকারেন্সি গ্রহণযোগ্যতা বাড়ার ফলে ট্রেডিংয়ের চাহিদা বাড়ছে। এক্সনেস ট্রেডারের মাধ্যমে সহজ ও দ্রুত ক্রিপ্টো ট্রেডিং সম্ভব। আমরা ভবিষ্যতে আরও নতুন ডিজিটাল সম্পদ যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছি। উন্নত অটোমেশন ও এআই প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করে ট্রেডিং আরো কার্যকর করা হবে।
বাংলাদেশের বাজারের জন্য বিশেষ অফার এবং স্থানীয় সাপোর্ট বাড়ানো হচ্ছে। ক্রিপ্টো ট্রেডিংয়ের সুবিধা নিতে আমাদের প্ল্যাটফর্মে রেজিস্টার করুন এবং আজই শুরু করুন।
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা | বাংলাদেশের সুবিধা |
|---|---|---|
| ২৪/৭ ট্রেডিং | সারা সপ্তাহে ক্রিপ্টো ট্রেডিং | বাংলাদেশের সময় অনুসারে সুবিধাজনক |
| স্থানীয় পেমেন্ট | বিকাশ, নগদ, রকেট সাপোর্ট | সহজ ফান্ড ট্রান্সফার |
| বাংলা সাপোর্ট | স্থানীয় ভাষায় সহায়তা | সহজ যোগাযোগ |
❓ FAQ
এক্সনেসে কিভাবে ক্রিপ্টো ট্রেডিং শুরু করব?
এক্সনেসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে অ্যাকাউন্ট খুলুন, KYC সম্পন্ন করুন, প্ল্যাটফর্ম ডাউনলোড করে লগইন করুন এবং ফান্ড ডিপোজিট করুন। এরপর পছন্দের ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেডিং শুরু করুন।
বাংলাদেশ থেকে কোন পেমেন্ট মেথড ব্যবহার করা যায়?
বিকাশ, নগদ, রকেট মোবাইল ব্যাংকিং, স্থানীয় ব্যাংক ট্রান্সফার, স্ক্রিল, নেটেলার এবং ভিসা/মাস্টারকার্ড ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা যায়।
ক্রিপ্টো ট্রেডিংয়ের জন্য কোন প্ল্যাটফর্মগুলো সাপোর্ট করে?
এক্সনেস মেটাট্রেডার ৪, মেটাট্রেডার ৫ এবং এক্সনেস ট্রেডার মোবাইল অ্যাপ সাপোর্ট করে।
লিভারেজ সীমা কত এবং কিভাবে সেট করবেন?
এক্সনেসে ১:১ থেকে ১:২০০০ পর্যন্ত লিভারেজ সেট করা যায়। এটি অ্যাকাউন্ট সেটিংসে পরিবর্তন করা হয়।
ক্রিপ্টো ট্রেডিংয়ে রিস্ক কিভাবে কমানো যায়?
স্টপ লস, টেক প্রফিট, ট্রেইলিং স্টপ অর্ডার ব্যবহার করে এবং প্রপার পজিশন সাইজিং করে রিস্ক নিয়ন্ত্রণ করা যায়।